দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ফোরকান মিয়া পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ৮ মে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামে সিঙ্গাপুর প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়াটিয়া ফোরকান মিয়া তার স্ত্রী শারমিন খানম (৩০), বড় মেয়ে মীম খানম (১৫), মেজ মেয়ে উম্মে হাবিবা (৮), ছোট মেয়ে ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়াকে (২২) হত্যা করেন।
পুলিশের ভাষ্য, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে ও শ্বাসরোধ করে ওই পাঁচজনকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত শারমিনের বাবা শাহাদাৎ মোল্লা কাপাসিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়; পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর কাপাসিয়া মাইক্রো স্ট্যান্ড থেকে ৯ হাজার টাকায় একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে পালিয়ে যান ফোরকান। পরে রাজধানীর মগবাজার এলাকায় গাড়ি থেকে নেমে তিনি আত্মগোপনে যান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পুলিশ তথ্য পায় যে, ফোরকান মিয়া পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার সিসিটিভি ফুটেজে এ ঘটনার দৃশ্য ধরা পড়ে।
ফুটেজে দেখা যায়, সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরা এক ব্যক্তি পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি স্থানে গিয়ে রেলিঙের পাশে মোবাইল ফোন রেখে নদীতে ঝাঁপ দেন। পুলিশ দাবি করছে, ওই ব্যক্তি ফোরকান মিয়া।
পরে মেহেরপুর এলাকা থেকে তার মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, গত তিন দিন ধরে ডুবুরি দল পদ্মা নদীতে মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
জে আই